দোহার (ঢাকা) প্রতিনিধি.
ঢাকার দোহারের লটাখোলা এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলার ঘটনায় দুইজন আহতের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। এঘটনায় মহি নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
ভূক্তভোগী শাহিন মোল্লা অভিযোগ করেন, লটাখোলা মৌজায় তিনি আর এস ২৬৩০ দাগে সারে ৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। একই দাগে বন্টন ছাড়াই স্থানীয় হালিমের নেতৃত্বে বিল্ডিং এর নির্মাণ কাজ শুরু করেন মোহাম্মদ আলী নামে এক ব্যক্তি। এনিয়ে সামাজিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও সমাধান হয়নি। পরে এসিল্যান্ড বরাবর অভিযোগ দিলে অফিস থেকে ডাকলেও তারা আসেননি। শাহিন মোল্লা বলেন, আজ বুধবার আমরা কাজ করতে নিষেধ করে চালে আসার পর। আমাদের কাছে জমি বিক্রেতাদের বাড়িতে হামলা চালায় হালিম তার ছেলে রাসেল, মহি ও শহিদসহ আরও বেশ কয়েকজন। এতে শারমিন আকতার ও লাইলি বেগম নামে দুইজন আহত হয়। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য নেয়া হয়েছে। পরে লটাখোলা নতুন বাজারে শারমিন আক্তারের স্বামী জালাল উদ্দিনের দোকানে হামলা চালানো হয়। যার সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ হয়। এদিকে আহত শারমিন আকতার ও লাইলি বেগম বলেন, আমাদের উপর অন্যায়ভাবে হামলা করা হয়েছে। আমরা এর বিচার চাই। হামলার ঘটনায় জালাল উদ্দিন বাদী হয়ে দোহার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে রাতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মহি নামে একজনকে আটক করেন।
এবিষয়ে অভিযুক্ত হালিম বলেন, এই জমি ১৯৯২ সালে ক্রয় করে মূল মালিক দখলে রয়েছে। এছাড়া একটি পেনশন মামলার রায়ও রয়েছে। তিনি বলেন, মোহাম্মদ আলী তার নিজের জায়গায় বিল্ডিং নির্মাণ করার সময় শাহিনের নির্দেশে বহিরাগতরা এসে বাড়ির শাটার ভাংচুর করে। পরে প্রতিবেশী শারমিন আকতার ও লাইলি বেগমসহ আরও কয়েকজন আমাদের হামলা করতে এসে মাটিতে পরে গিয়ে আহত হয়। হালিম আরও বলেন, আমরা কাউকে মারধর করিনি বরং মোহাম্মদ আলীর জমি তারা দখল নিতে এসেছে।
এবিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দোহার থানার পুলিশ পুরদর্শক হুমায়ন কবির বলেন, হামলার ঘটনায় মামলার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা রাতে অভিযান পরিচালনা করে একজনকে আটক করেছি। বাকি আসামীদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।